আকুপয়েন্ট থেরাপি কীভাবে করবেন?

এই থেরাপিটি মূলত আকুপ্রেশার প্রয়োগের মাধ্যমে করা হয়। কারণ, আকুপ্রেশার ব্যবহার করে বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যার চিকিৎসা করা সম্ভব। এটি হাত পা, মুখমণ্ডল, কান এবং শরীরের কিছু নির্দিষ্ট পয়েন্টে প্রেসার প্রয়োগ করে উদ্দীপনা সৃষ্টির মাধ্যমে করা হয়। এই পয়েন্ট গুলার সাথে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের নিউরন এর মাধ্যমে সংযোগ রয়েছে।
বৃদ্ধাঙ্গুলিঃ
মাথা এবং ঘাড় প্রতিনিধিত্ব করে। এটির দুটি ভাগ রয়েছে, উপরের অংশ মাথা এবং নিচের অংশ ঘাড় প্রতিনিধিত্ব করে।
ইনডেক্স এবং লিটিল ফিঙ্গার ঃ
ইন্টেক্স ফিংগার বাম এবং লিটিল ফিঙ্গার ডান হাতকে প্রতিনিধিত্ব করে। হাত দুটির নিচ থেকে শুরু করে তিনটি ভাগ রয়েছে, যেগুলি যথাক্রমে হাতের উপরের ভাগ, নিচের ভাগ এবং তালু।
মিডিল এবং রিং ফিঙ্গারঃ
মিডিল ফিঙ্গার বাম এবং রিং ফিঙ্গার ডান পা কে প্রতিনিধিত্ব করে। পা দুটির নিচ থেকে শুরু করে তিনটি ভাগ রয়েছে যেগুলি যথাক্রমে হাঁটুর উপরের ভাগ অর্থাৎ থাই, হাঁটুর নিচের ভাগ সন্ধি পর্যন্ত কালফ এবং পায়ের পাতা।
হাতের তালুর উঁচু অংশঃ
বুড়ো আঙুলের নিচে হাতের তালুর উঁচু অংশ ডায়াফ্রামের অর্থাৎ বুকের প্রতিনিধিত্ব করে। যাহার ডানদিকে হার্ট এবং ফুসফুসের প্রতিনিধিত্ব করে।
হাতের তালু :
হাতের তালুর উল্টা দিকে শরীরের সাথে মিল রেখে মেরুদণ্ড ও ঘাড় ইত্যাদি এবং তালুর দিকে পেট লিভার পেনক্রিয়াস ইত্যাদি শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ নির্দেশ করে।
আকুপ্রেশার এর মাধ্যমে রোগ নিরাময় শুরু করতে, একজনের হাত এবং পায়ের নির্দিষ্ট অঙ্গের জন্য নির্দিষ্ট বিন্দুতে আলতো ভাবে চাপ দিয়ে মেসেজ করতে হবে। এক্ষেত্রে প্রেস রোটেট এন্ড রিলিজ এই পদ্ধতি অবলম্বন করা যেতে পারে। অতএব, আকুপ্রেশার শরীর এবং মনের মধ্যে শক্তি এবং ভারসাম্যের সামঞ্জস্য অর্জনের নীতিতে কাজ করে।